আর্কাইভ হতে, বিভাগঃ ‘জেলা পরিচিতি’

অয়ি যমুনা

অয়ি যমুনা

১৭৮৭ সালের কথা। সে বছর হিমালয়ে প্রবল বর্ষণের ফলে ভীষণ বন্যা দেখা দিল। সেই বন্যা ছিল স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা। হিমালয় ও তার সংলগ্ন এলাকায় ভীষণ ক্ষয়ক্ষতি হলো। বিশেষ করে, ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তায় এর প্রভাব পড়ল মারাত্মকভাবে। ব্রহ্মপুত্রের উৎপত্তি হিমালয়ের কৈলাস শৃঙ্গের হিমবাহ থেকে। নানা জায়গা ঘুরে আসামের ধুবড়ি থানার ভেতর দিয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার […]

সুরমাপুরাণ

সুরমাপুরাণ

সুরমার যমজ বোন কুশিয়ারার তীরে আমার জন্ম। ছোটবেলায় নদী-খাল-বিল-ডহর আমাকে টানত। নদীর ওপারে ছিল আমাদের স্কুল। বর্ষায় ডিঙি বেয়ে স্কুলে যেতাম। শুকনো মৌসুমে নদীর তীর ধরে হেঁটে হেঁটে খেয়া নৌকায় নদী পার হতাম। বর্ষায় দেখতাম অসংখ্য মাছধরা নৌকা রংবেরঙের পাল উড়িয়ে উজানে যাচ্ছে। সিলেটের দুই প্রধান নদী সুরমা ও কুশিয়ারার জন্ম পুরাণ-বর্ণিত বরবক্র বা বরাক […]

কিশোরগঞ্জের হাওর

কিশোরগঞ্জের হাওর

কিশোরগঞ্জের ইতিহাসের একটি আকর্ষণীয় দিক হাওর। কেবল ভু-প্রকৃতিগত বৈচিত্রের কারনে নয়, অর্থনৈ্তিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং প্রকৃতিক সৌ্ন্দর্য্যের দৃষ্টিকোণ থেকেও হাওর এক বিরাট স্হান জুড়ে আছে ।হাওর মুলতঃ সাগর শব্দের অপভ্রংশ মাত্র। উচ্চারণ বিকৃতিতে সাগর থেকে সায়র এবং সায়র থেকে হাওর হয়েছে বলে ব্যাখ্যা করা হয়ে থাকে। বর্ষাকালে বিশাল হাওর এলাকায় অথৈ জলরাশি দেখলে সাগরের কথাই […]

কিশোরগঞ্জের ইংরেজী বানান প্রসঙ্গে

কিশোরগঞ্জের ইংরেজী বানান প্রসঙ্গে

মি. সাকসি। ইংরেজ আমলে যে ক’জন  ইংরেজ রাজ কর্মচারী জেলা ময়মনসিংহের কালেক্টরে চাকরী করেছেন তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে মি. সাকসির লেখা ডিস্ট্রিক গেজেটিয়ারে কিশোরগঞ্জের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য, সংস্কৃতি, জনপদ জনসংখ্যা ছাড়াও এ অঞ্চলের বিভিন্ন খাদ্য, পশু, পাখি, গাছ, মাছ, ইত্যাদির তালিকা ও বিবরণ রয়েছে । বিশেষ করে ঐ গ্রন্থে কিশোরগঞ্জের ইংরেজী বানান তিনি […]

নদ-নদী

নদ-নদী

কিশোরগঞ্জ জেলা যথার্থ নদী মাতৃক এলাকা এর পূর্ব সীমানায় মেঘনা নদী পশ্চিমে ব্রহ্মপুত্র উওরে নেত্রকোনা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কংস মগরা বাউলাই এবং এদের অসংখ্য শাখা ও সংযুক্ত নদী ও খাল ।এই নদীগুলি দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে মোটামুটি ভৈ্রবের নিকট মিলেছে ।সৃষ্টি হয়েছে একটি তোড়া সদৃশ আকৃতি (Funnel shape) যার এক দিকে মেঘনা ও অপর দিকে […]

কালী / কালনী নদী

কালী / কালনী নদী

ঘোড়াউতরা নদী যেখানে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে সেখান থেকে কালী নদী ভৈ্রব ও বাজিতপুরের সী্মানায় মধ্য দিয়ে কুলিয়ারচরে প্রবেশ করেছে। ভৈ্রবের গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী পার হয়ে আরো দক্ষিনে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে শেষ হয়েছে। সারা বছর এই নদী নাব্য থাকে। স্থানীয় ভাবে কালী ও কালনী দু নামেই পরিচিত । সুরমা অববাহিকা বাংলাদেশের সিলেট এবং সুনামগঞ্জের পূর্বাংশে […]

সোয়াইজানী

সোয়াইজানী

এটি ঘোড়াউতরার শাখা নদী, নিকলী থানার অন্তর্ভূক্ত। সারা বছর নাব্য থাকে। নিকলীতে ঘোড়াউতরা ও নরসুন্দার সাথে এই সোয়াইজানীর মিলন ঘটেছে, যা স্হানীয় ভাবে ত্রিমোহিনী নামে খ্যাত ।

ধলেশ্বরী নদী

ধলেশ্বরী নদী

মেঘনা নদীর একটি শাখা নদী। অষ্টগ্রামের কলমা এবং বাংগাংলপাড়া ইউনিয়নের সীমানায় মেঘনা নদী থেকে উৎপত্তি হয়ে অষ্টগ্রাম, কাস্তল, দেওঘর ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংগাংলপাড়া ইউনিয়নের শেষ সীমানায় মেঘনার সাথে আবার মিলিত হয়েছে। অষ্টগ্রামে এই নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭ মাইল। 

সুতী নদী

সুতী নদী

গচিহাটা রেল ষ্টেশনের ৫ মাইল উওর পূর্বে-সিংগুয়া নদী হতে উৎপন্ন হয়ে নকলা ফেরীঘাট অতিক্রম করে সুতী নদী চানপুর হাওরের পূর্ব পাশ দিয়ে রউহা বিল হয়ে ঘোড়াউতরায় পতিত হয়েছে। স্হানীয় ভাবে সুতি গাঙ নামে পরিচিত। বর্ষাকালে নাব্য, দৈর্ঘ্যে প্রায় ৭ মাইল (প্রায় ১১.২ কিঃমিঃ)। মলুয়া পালাগানে সুতি বা সুত্যা নদীর কথা আছে, নায়ক চাঁদবিনোদের বাড়ী ছিল […]

সিংগুয়া নদী

সিংগুয়া নদী

সিংগুয়া নদী পাকুন্দিয়ার এগারসিন্দুরের খামাবিল হতে উৎপন্ন হয়ে গচিহাটা ও নিকলী হয়ে ঘোড়াউতরায় মিলিত হয়েছে। বর্ষামৌসুমেই নাব্য থাকে দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪ মাইল (প্রায় ২২.৪ কিঃমিঃ) ।

বিষয় ভিত্তিক পোষ্টগুলো

কারিগরি সহায়তায়:

বিজ্ঞাপন

প্রবেশ - কপিরাইটঃ ২০০৭ থেকে ২০১৪ | কিশোরগঞ্জ ডট কম