আর্কাইভ হতে, বিভাগঃ ‘নামকরন’

করিমগঞ্জ উপজেলা

করিমগঞ্জ উপজেলা

উপজেলার আয়তন ২০০.৫২ বর্গ কিলোমিটার লোকসংখ্যা ২,৫১,৮২০ জন। এখানে থানা সদর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০৯ সালে। সাধারণ ভাবে বিশ্বাস করে হয় যে, মোঘল আমলে সম্রাটের বিখ্যাত নৌ প্রধান করিম খানের নামানুসারে এই অঞ্চলের নাম করা হয়েছে করিমগঞ্জ।

ইটনা উপজেলা

ইটনা উপজেলা

ইটনা উপজেলার আয়তন ৪০১.৯৪ বর্গ কিলোমিটার এবং লোক সংখ্যা ১,৪৮,০৪০ জন। এখানে থানা সদর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৭ সালে। অনেকের মতে, জমি জরিপের সময় এলাকার জরিপ ইতি হয়েছে বলে জনৈক কর্মচারী ঘোষণা করলে আরেকজন কর্মচারী জানান ‘ইতি না’ অর্থাৎ এলাকাটি আরো বর। এই ইতি না থেকে প্রথমে এই এলাকা ইতনা এবং পরে উচ্চারণ বির্বতনের ফলে ইটনা […]

তারাইল উপজেলা

তারাইল উপজেলা

উপজেলার আয়তন ১৮১.৪৬ বর্গ কিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ১,৪৫,৪২০ জন। এখানে থানা সদর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৮ সালে। জানা যায়, অতীতে এই এলাকায় জমিদার মহিম রায়ের আবাসস্থল ছিল। এই জমিদার তার মাতা তারা সুন্দরীর নাম অনুসারে এ স্থানের নাম রাখেন তারাইল।

কিশোরগঞ্জ জেলা

কিশোরগঞ্জ জেলা

ঈসা খাঁ মসনদে আলা, মানসিংহের জঙ্গলবাড়ি এবং বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামায়াত শোলাকিয়া ঈদগাহ্ আর ছোট-বড় অসংখ্য হাওড়-বাওরের জেলা কিশোরগঞ্জ। কিশোরগঞ্জ অঞ্চলটি আঠার শতকের শেষ প্রান্তেও কাটাখালী নামে সমাধিক পরিচিত ছিল। জেমস টেলরের বর্ণনায় এলাকাটিকে জঙ্গলবাড়ি হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। এ থেকে ধারণা করা হয়, উনিশ শতকের প্রথম ভাগেই কিশোরগঞ্জ-এর নামকরণ হয়েছে। কিন্তু এ নামকরণের উৎস […]

নামকরনের ইতিহাস

নামকরনের ইতিহাস

রেনেলের মানচিত্রে(১৭৮১) কিংবা ময়মনসিংহ জেলা প্রতিষ্ঠাকালে(১৭৮৭) কালেক্টর রিপোর্টে কিশোরগঞ্জ নামের কোন উল্লেখ পাওয়া যায়নি।এমন কি ১৮৪৫ খ্রীষ্টাব্দে যখন বৃহত্তর ময়মনসিংহে জামালপুর মহকুমার সৃষ্টি হয় তখনো কিশোরগঞ্জ সম্পর্কে কোন আলোচনা পাওয়া যায় না। তবে এই এলাকায় ১৭৭০ খ্রীষ্টাব্দে বজ্রকিশোর (মতান্তরে নন্দকিশোর) প্রামাণিক কতৃক একটি মন্দির প্রতিষ্ঠার কথা পরবর্তী গেজেটিয়ার সমূহে লক্ষ করা যায় এবং এই মন্দির […]

এগারসিন্দুর

এগারসিন্দুর

একসময়ের (প্রাচীন ও মধ্যযুগ) বিখ্যাত জনপদ এগারসিন্দুরের নামাকণের সঠক উৎস নির্ণয় করা দুরুহ। উদাহরণস্বরুপঃ প্রাকজ্যোতিষপুর রাজ্যাধীন এগারসিন্দুর এলাকার আজহাবা নামে একজন কোচ সামন্তরাজ রাজত্ব করতেন।সে সময়ে পাশবর্তী বটং নামে অপর কোচ রাজার সাথে আজহাবার যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে আজ-হাবা ১১ টি ও বটং রাজ ৯ টি শুন্ডধর (হাতি) ব্যবহার করেছিলেন। যুদ্ধে আজহাবার জয় হয়। এগার শুন্ডধরধারী […]

বিষয় ভিত্তিক পোষ্টগুলো

কারিগরি সহায়তায়:

বিজ্ঞাপন

প্রবেশ - কপিরাইটঃ ২০০৭ থেকে ২০১৪ | কিশোরগঞ্জ ডট কম