আর্কাইভ হতে, বিভাগঃ ‘ফুল’

বর্ণিল নাগবল্লী

বর্ণিল নাগবল্লী

নাগবল্লী বাংলাদেশ ও ভারতের প্রজাতি হলেও স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণের প্রজাতির আদি আবাস আফ্রিকা। আলংকারিক গুল্ম হিসেবে আমাদের দেশে আমদানি। আগে খুব একটা দেখা যেত না। দীর্ঘদিন বিভিন্ন পার্ক, উদ্যান ও পথপাশে রূপান্তরিত পাতার সিঁদুরে লাল ও সাদা রঙের নাগবল্লী দেখেই সন্তুষ্ট থেকেছি। সম্প্রতি আরেকটি ফুল দেখে ধাঁধায় পড়ি। দেখতে অবিকল নাগবল্লীর মতো না হলেও আগার পাতাটি […]

সিঁদুররাঙা পালান ফুল

সিঁদুররাঙা পালান ফুল

বিশাল গাছের সিঁদুরলাল ফুল পালান অসাধারণ। ডিম্বাকৃতির উজ্জ্বল সবুজ পাতা। ফুলের পাপড়ি ছোট, সংখ্যায় পাঁচ ও আকারে গোল। ফুলের গন্ধ দূর থেকে টানে না, তবে নাকের কাছে নিলে ঝট করে লাগে। কেমন মন উথাল-পাতাল করা গন্ধ। ফুলের ওপর মাছি সারাক্ষণ ভোঁ ভোঁ করে উড়ে বেড়ায়।ডালের ডগায় চার থেকে পাঁচটি ফুল একত্রে ফোটে। বসন্তের শেষ ও […]

ফুলের নাম-কেয়া

ফুলের নাম-কেয়া

আমি মূলত নোনা পানির উদ্ভিদ।আমার পাতার ধারে রয়েছে প্রচুর তীক্ষ্ণ কাঁটা। আমার বাংলা নাম কেয়া, কেওড়া বা কেতকী।  আমার আছে নেক সম্বলকৃত নাম। যেমন-তীক্ষ্ণপুষ্পা, নৃপপিয়া, পাংশুলা,ইন্দুকলিকা, স্বর্ণপুষ্পী, কনকপ্রসবা, কন্ঠদলা, গন্ধপুষ্পা। আমার ফুলের সৌরভ প্রাচীনকালের কবি ভেষজ পন্ডিতদের কাছে সুবিদিত ছিল। দ্বাদশ শতাব্দীর কবি জয়দেব আমাও ফুলের আকার-আকৃতি নিয়েও গিত রচনা করেছেন। প্রাচীনকালে আমি সুগন্ধি নির্যাসের […]

খুড়িঘাস ফুল

খুড়িঘাস ফুল

ঘাসের বুকের থেকে কবে ,  আমি পেয়েছি যে আমার শরীর- সবুজ ঘাসের থেকে, তাই রোদ ভাল লাগে- রুপসী বাংলার কবির কাছে আমরা মানে ঘাসেরা খুবই কৃতজ্ঞ।আমরা তা৬র অতি অন্তরঙ্গ বলেই-তিনি বলেছেন-পৃথিবীর সব সুন্দর লেগে আছে ঘাসে,-কত সব নাম-মধুকূপী,পরথুপী,কানদুলী গন্ধভাদুলী। ঘাসেরা উদ্ভিদ জগতের এক মস্ত বড় পরিবার।পৃথিবীতে আমাদের প্রায় দশ প্রজাতির ঘাস রয়েছে।তোমাদের দেশেও আমাদের সংখ্যা […]

রেইন লিলি

রেইন লিলি

এই ফুল সাধারন বর্ষায় ফুটে, দেখতে গোলাপী রংয়ের এর নাম রেইন লিলি! তবে অনেকে এই ফুলকে পিংক রেইন লিলিও বলে থাকে আবার আমাদের দেশে রসূন ফুল নামে ও পরিচিত কেননা এই ফুলের গোড়ায় অনেকটা রসূনাকৃতির কান্ড হয়ে থাকে – যা সম্ভাব্য বিষাক্ত টক্সিন বহন করে! ক্যারিবীয় ও ক্রান্তীয় অঞ্চলে বিশ্বজুড়ে এর দেখা মিলে।  বিশেষ করে […]

নিমফুল

নিমফুল

আমার এক স্বজন মনোকষ্টে অনেক ক্ষোভের কথা বলেছে অনেক আগে।  বসন্তকালে ভ্রমণ,নিম্বতোজন এবং তন্বীর সান্নিধ্য-এই তিনটির অভাব হলে তাঁর মরণই ভালো। আমিই সেই নিম্ব বা নিম। আমার বৈজ্ঞানিক নাম-Azadirachta indica আমাকে তোমরা অতি সসহজেই চিনতে পারবে। আমার  অনেক সম্বলকৃত নাম আছে। যেমন-প্রভদ্র, কীরেষ্ট, সর্বতভদ্র, ধমন, পবনেষ্ট, পীতসারক, বরতিক্ত, জ্যেষ্ঠামলক, হিঙ্গুনির্যাস, অগ্নিধমন। আর আমার ঔষধীগুনের কথা বলছো? […]

অড়বড়ই এর ফুল

অড়বড়ই এর ফুল

দেখতো চেয়ে আমাকে চিনতে পারো কিনা? আমার যেমন এক অতি সাধারণ নাম আছে, তেমনি আছে এক সুন্দর নাম।সাধারণ নামটা হলো অড়বড়ই আর অন্যটা লবলী।আরও কয়েকটা নাম আছে-যেমনঃ নোয়াড়, পান্ডু, সুগন্ধমুলা, কোমলবল্কলা ও হরবড়োই । ভাবপ্রকাশে উল্লখ আছে-লবলীফলমস্রার্শঃ কফপিত্তহরং গুরু। বিশদং রোচনং রুক্ষং স্বাদ্বম্লং তুবরং রসে। তার মানে গুন পর্যায়ে আমি রক্তাংশে কফপিত্তহর গুরুপাক, বিশেষ রোচক, […]

কালোজাম

কালোজাম

আমার ফুল দেখে চিনতে একটু কষ্ট হবে। তবে আমাদের ফল তোমাদের খুবই পরিচিত। আমি তোমাদের প্রিয় কালোজাম।গ্রাম বাংলার প্রায় বাড়িতেই ছিল আমার নিশানা। ছিল বলছি এই কারণে যে-আমার অস্থিত্ব দিন দিনই কমে যাচ্ছে। কারণ আমার গাছের লাকড়ি খুবই চাহিদা তোমাদের কাছে। আমার ফলের উৎপাদনই ক্রমেই কমে যাচ্ছে।আমার ছাল রুক্ষ হলেও আমার ঘন সবুজ প্রত্র-মঞ্জুরির ছাওনি […]

গামারি ফুল

গামারি ফুল

আমারনাম তোমরা নিশ্চয় শুনে থাকবে।আমার কাঠের তৈরী আসবাবপত্র তোমাদের কাছে বেশ প্রিয়।আমার নাম গামারি।বন জঙ্গলেই বাস করে থাকি।আমার আদিবাস নিয়ে বেশ মতবাদ আছে পন্ডিত মহলে।তবে আমি জানি বর্মাই আমার আদিস্থান।শুধু বাড়ি ঘরের সাজ-সরঞ্জামই নয়,নৌকা ও ঢোলের খোল বানাতে আমার হালকা ও বাদামি রঙের টেকসই গেছের বেশ চাহিদা আছে।শীত শেষে পাতা ঝরার সময় সারা বছরের অন্যান্য […]

বরুণ

বরুণ

আমি আগে ভাগেই বলে নিই আমার নাম বরুণ। প্রচলিত ভাষায় বৈন্যা।আমি বড় জাতের বরুণ মানে আমাও বৃক্ষের পরিধি ও উচ্চতা ছোট জাত থেকে বেশ বড়। আমি সাধারণত একটু নিচু জায়গায় জন্মে থাকি।মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানার প্রায় সব গ্রামেই আমাকে খুঁজে পাবে।বসন্তকালে আমার সাদা ও হালকা হলুদ ফুলের উচ্ছাস দেখতে পাবে গাছ ভর্তি। পাতা বড় একটা দেখা […]

বিষয় ভিত্তিক পোষ্টগুলো

কারিগরি সহায়তায়:

বিজ্ঞাপন

প্রবেশ - কপিরাইটঃ ২০০৭ থেকে ২০১৪ | কিশোরগঞ্জ ডট কম