আর্কাইভ হতে, বিভাগঃ ‘ফুল’

গোলাপি পদ্ম

গোলাপি পদ্ম

আমাকে আজকাল খুঁজে পাবেনা-পাবে কি করে? তোমরাতো সব হাওর বিল, সরোবরের পানি সেচ দিয়ে প্রায় শুকিয়ে ফেলেছ। আমি তো আবার জলচর কিনা। আমাকে তোমরা পদ্ম বা কমল নামে চেনো। আমি সাধারণত দুই রঙ্গের হয়ে থাকি। যেমন-গোলাপি ও সাদা।রুপকথায় যদিও নীল কমলের নাম উল্লেখ আছে আসলে আমার নীল রঙ্গের কোন ফুল নেই। বড় জাতের নীল শাপলাকেই […]

কামরাঙা ফুল

কামরাঙা ফুল

করমচার মতো আমার ফুল দেখে চিনতে অসুবিধা হতে পারে।কিন্তু আমার ফল সবাই শনাক্ত করতে পারবে।আমার ৪-৫ শিরাবিশিষ্ট ফল গ্রাম ও শহরের সবার পরিচিত।আমার নাম কামরাঙা।কামরাঙা নামটা এসেছে পুর্তগীজ শব্দ ক্যারামবোলা থেকে। কারণ আমাদের আদিবাস তোমাদের দেশে নয়।আমি এসেছি সুদূর আমেরিকার কলম্বিয়া থেকে। পর্তুগিজ স্প্যানিশ মিশনারি পাদ্রীগণ ষোড়শ শতকের দিকে এ দেশে নিয়ে এসেছিলেন।আমি এখন শুধু […]

ভাঁটফুল / ঘেটু

ভাঁটফুল / ঘেটু

ছোট বেলা থেকেই এই ফুলের সাথে আমার গভীর সখ্যতা, ভালো ভাবে পরিচিত শুধু এর আভিধানিক নামটি জানতাম না। আজ অনলাইনে পেয়ে গেলাম এই ফুলের একটা বিবরণ। বিশেষ করে জানুয়ারী – মার্চের মাঝামাঝি এই গাছে ফুল আসে। আমরা এর কচি ফলগুলো চিকন কঞ্চি বাঁশ দিয়ে বানানো পটকা ফোটাতে ব্যবহার করতাম। হাওড়ের পাশের রাস্তার ধারে ঝোপের পর ঝোপ এই গাছ […]

পাখিফুল

পাখিফুল

ফুল দেখতে বিস্ময়কর বটে। পাখিফুলগাছের সবুজ পাতার ওপর গোলাকার লাল ফুল আমাদের জাতীয় পতাকার কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। আর ফুলটি স্বাধীনতার মাস মার্চেই প্রকৃতিকে রাঙিয়ে তোলে, যেন লাল-সবুজের বাংলাদেশ! গুচ্ছে গুচ্ছে সারা গাছে ফোটে। একে স্কারলেট ফ্লেম, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান মাউন্টেন রোজ অথবা ব্রাউনিয়া বলে অনেকে। বাংলায় কেউ কেউ ডাকে পাখিফুল, আবার কেউ কেউ ডাকে সুপ্তি […]

অশোক

অশোক

অশোক শব্দটির অর্থ বীতশোক অর্থাত্ শোকহীন। মানবজন্মের দুঃখ-শোক অবসানের জন্য যিনি কঠিন তপস্যায় বোধিসত্ত্ব লাভ করেছিলেন, সেই গৌতম ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন এই অশোকতরুতলে। অনেকেই ভাবতে পারেন, ঘটনাটি কাকতালীয়। কিন্তু সে যা-ই হোক, এ ঘটনার পর অশোকতরুর জগত্খ্যাত হতে আর কি কিছু লাগে? উপরন্তু কথিত আছে, এই তরুতলেই তপস্যা করে গৌরী তাঁর শোকতাপ মুক্ত হয়ে সিদ্ধি লাভ […]

অপরাজিতা

অপরাজিতা

অপরাজিতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Clitoria ternatea) প্রজাতির একটি ফুল। গাঢ় নীল রঙের ফুল, কিন্তু নিচের দিকটা (এবং ভেতরটা) সাদা- কখনো বা একটু হলদে আভাস দেখা যায়। পরিচিতিঃ সাদা, নীল এবং কখনো কখনো বেগুনি রঙের দেখা যায়। বহুবর্ষজীবি লতাজাতীয় উদ্ভিদ অপরাজিতা প্রায় ২০ ফুট লম্বা হয়। সারা বছরই ফুল ফোটে। প্রতিটি পাতায় দুই বা তিন জোড়া গোলাকার […]

অগ্নিশিখা

অগ্নিশিখা

বাংলা সাহিত্যে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিভিন্ন উদ্ভিদের অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও বহুমাত্রিক ব্যবহার করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এ ক্ষেত্রে তাঁর অবদান একজন উদ্ভিদবিজ্ঞানীর সমতুল্য। বিভিন্ন সময়ে তিনি যে শুধু দেশীয় গাছপালা নিয়ে কথা বলেছেন তা নয়, বিদেশি অনেক গাছকেও নাম দিয়ে আপন করে নিয়েছেন। এ তালিকায় আমাদের অঞ্চলের কিছু গাছ স্থান পেয়েছে। গ্লোরিওসা সুপার্বার নাম […]

কুলঞ্জন

কুলঞ্জন

আমি গহীন বনের অধিবাসী।রামগড়ের নটিলা পাহারে এখনও কোনরকমে টিকে আছি।তোমরা সব বন জঙ্গল উজাড় করে আমাদের জীবন মরণ সমস্যায় ফেলে দিয়েছো।দিন দিনই আমাদের জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে।তাই আজ আমি এক বিপন্ন উদ্ভিদ প্রজাতি।লোকায়িত নাম কুলঞ্জন। আমার বৈজ্ঞানিক নাম-Alpinia malacansis, আমি zingiberaceae পরিবারভূক্ত।আমার তবে কয়েকটা অংলকৃত নাম রয়েছে-যেমন গন্ধমূল, তীক্ষনমূল, মধুনিক্কন।জঙ্গলের ছোট ছোট গাছ গাছড়া ভেদ করে […]

কুলেখাড়া

কুলেখাড়া

আমাকে সব জায়গায় দেখা যায়না।জয়দেবপুর শ্রীপুর অঞ্চলে আমার দর্শন মেলে বেশি। আর স্যাঁতস্যাঁতে নালা নর্দমার পাড়েই হয় আমার শ্রীবৃদ্ধি। অনেক সময় শহুরে সাহেবরা পিকনিক কিংবা শিকারে এসে বেশ বিপদে পড়ে যান-আমার ঝোপের ভেতর ঢোকে। কারণ দূর থেকে আমাকে অনেক নিরীহ বলে মনে হয়-অনেকটা দমকলসের মতো। কিন্তু আমার পুষ্পগুচ্ছ ও পাতার আড়ালে লুকিয়ে আছে অত্যন্ত তীক্ষ্ম […]

হলুদ কৃষ্ণচূড়া

হলুদ কৃষ্ণচূড়া

গন্ধে উদাস হাওয়ার মত উড়ে তোমার উত্তরীকর্ণে তোমার কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জরি—কবিগুরু কৃষ্ণচূড়া নিয়ে কাব্যচর্চা হয়ে আসছে, হবে। কৃষ্ণচূড়া আমাদের দেশের অতি পরিচিত ও জনপ্রিয় একটি ফুল। এই কৃষ্ণচূড়া আমরা লাল রঙের দেখেই অভ্যস্ত। তবে কৃষ্ণচূড়া সাদা ও হলুদ রঙেরও হয়। একদিন ফুলার রোড দিয়ে যাওয়ার সময় ব্রিটিশ কাউন্সিলের সামনে দৃষ্টি আটকে গেল। হলুদ কৃষ্ণচূড়া! সত্যি, হলুদ […]

বিষয় ভিত্তিক পোষ্টগুলো

কারিগরি সহায়তায়:

বিজ্ঞাপন

প্রবেশ - কপিরাইটঃ ২০০৭ থেকে ২০১৪ | কিশোরগঞ্জ ডট কম