আর্কাইভ হতে, বিভাগঃ ‘বৈচিত্র’

কাঁচা হলুদের পাঁচটি ঔষধি ব্যবহার

কাঁচা হলুদের পাঁচটি ঔষধি ব্যবহার

আমরা রান্নায় যে হলুদের গুঁড়া ব্যবহার করি তা পেতে প্রথমে হলুদ গাছের শিকড়কে কয়েক ঘণ্টা সিদ্ধ করতে হয়। তারপর সেদ্ধ হলুদ শুকিয়ে শিকড়কে চূর্ণ করে গাঢ় হলুদ বর্ণের গুঁড়া পাওয়া যায়। তবে যুগ যুগ ধরে হলুদ ব্যবহার হয়ে আসছে নানা রোগের ঔষধ হিসেবে। চীনারা হলুদকে ভাবে একটা হার্বাল পণ্য হিসেবে। রূপের যত্নে যে হলুদ অনন্য […]

ফুটকি / বনপেটারি

ফুটকি / বনপেটারি

আমার সংস্কৃত নাম টঙ্কারী। দিন দিন আমার দর্শন পাওয়া দুর্লভ হয়ে উঠেছে। কিছুদিনের মধ্যেই হয়তো বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে চিহ্নিত হবো। তবুও মাঝে মাঝে এখানে সেখানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকি।

ডেওয়া

ডেওয়া

আমার প্রচলিত নাম ডেওয়া । আমার বৈজ্ঞানিক নাম  Artrocurpus lakoocha (Moraceae) Monkey jack গ্রামের হাট-বাজারে বর্ষাকালে আমার এবড়োখেবড়ো কমলা রঙের ফল দেখতে পাওয়া যায়। খেতে টক- মিষ্টি । কাঁঠালের মতো ছোট ছোট কোয়া ভর্তি আমার ফল। কথায় আছে ডেওয়া ডেফল টক লাগে নারকল।  মানে আমার টক ফল খেলে নাকি মিষ্টি নারিকেল চুকা লাগে । আমার […]

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground)  খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে। এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের আরও কিছু বদ্বীপমুখী খাদ দেখতে পাওয়া যায়, যেমন সিন্ধু নদীর মোহনার অদূরে সিন্ধু খাদ, মিসিসিপি বদ্বীপের পশ্চিম পাশে মিসিসিপি খাদ। […]

মানুষের মাটি খাওয়া প্রচলন

মানুষের মাটি খাওয়া প্রচলন

মানুষ মাটি খায় সভ্য সমাজে এটি খুবই অজানা কথা । তবে  মানুষ সত্যি মাটি খায় এবং তা বাজারে পাওয়া যায়। এর নাম চেরা মাটি। বৃহত্তর ময়মনসিংহের মানুষের মাঝে বিশেষ এক ধরনের মাটি খাওয়ার একটা প্রচলন ছিলো বহু কাল আগে থেকেই এখনো তা কিছু কিছু অঞ্চলে প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়, তবে এই প্রবনতা বেশী লক্ষ্য করা যায় […]

কালাকপাল বনমালী

কালাকপাল বনমালী

কালাকপাল বনমালী (বৈজ্ঞানিক নাম: Sitta frontalis) (ইংরেজি: Velvet-fronted Nuthatch), কালোকপাল বনমালী বা নীলাভ কীটকুড়ানী Sittidae (সিটিডি) গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত Sitta (সিটা) গণের অন্তর্গত এক প্রজাতির মাঝারি বৃক্ষচর পাখি। কালাকপাল বনমালীর বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ ভ্রুযুক্ত কাঠঠোকরার মত পাখি (গ্রিক: sitte = কাঠঠোকরার মত পাখি, লাতিন: frontalis = ভ্রুযুক্ত)।  পাখিটি বাংলাদেশ, ভারত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার […]

পাতি সবুজতাউরা

পাতি সবুজতাউরা

পাতি সবুজতাউরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Cissa chinensis) (ইংরেজি: Common Green Magpie) বা সবুজ হাঁড়িচাচা Corvidae (কর্ভিডি) গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত Cissa (সিস্সা) গণের এক প্রজাতির মাঝারি আকারের উজ্জ্বল সবুজ পাখি।  পাতি সবুজতাউরার বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ চীনের দোয়েল  (গ্রিক Cissa = দোয়েল; ল্যাটিন chinensis = চীনের)।  সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এদের আবাস, প্রায় ২১ লাখ […]

খঞ্জনা (White Wagtail)

খঞ্জনা (White Wagtail)

বিজ্ঞানসম্মত নাম – Motacilla alba , পরিচিতি – শীতকালেই বেশী দেখা যায়। পুরো বাংলাদেশেই প্রায় দেখা যায়। স্ত্রী ও পুরুষ পাখি একই রকমের দেখতে হয়। মুখের কিছু অংশ ও বুকের দিকের রঙ সাদা হয়। মাথার উপরের দিক কালো রঙের ও লেজের পেছন দিক কালো রঙের হয়। ডানার রঙ ছাই রঙ্গা হয়। লেজ নাচিয়ে নাচিয়ে ঘুরে বেড়ায় […]

সেকরা বসন্ত

সেকরা বসন্ত

দ্বিপদ নাম: Megalaima asiatica (Latham, 1790) সমনাম: Trongon asiatica Latham, 1790 বাংলা নাম: নীলগলা বসন্ত ইংরেজি নাম: Blue-throated Barbet বর্ণনা: সেকরা বসন্ত সবুজ রঙের খুদে বৃক্ষচারী পাখি (দৈর্ঘ্য ১৭ সেমি, ওজন ৪০ গ্রাম,ডানা ৮ সেমি, ঠোঁট ১.৮ সেমি, পা ২ সেমি, লেজ ৩.৫ সেমি)। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির গাঢ় লাল কপালসহ পিঠ ঘাস-সবুজ; গাঢ় লাল ও কালো বুকের পট্টিসহ গলা হলুদ; সবুজ ডোরাসহ দেহতলের অবশেষ ফ্যাকাসে; কালো […]

দাগি বসন্ত

দাগি বসন্ত

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় [ Megalaima ] গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৫টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ২৪টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. নীলগলা বসন্ত, ২. নীলকান বসন্ত, ৩. সেকরা বসন্ত, ৪. দাগি বসন্ত ও ৫. বড় বসন্ত। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছেদাগি বসন্ত। দ্বিপদ নাম: Megalaima lineata(Vieillot, 1816) সমনাম: Bucco lineatusVieillot, 1816 বাংলা নাম: দাগি […]

বিষয় ভিত্তিক পোষ্টগুলো

কারিগরি সহায়তায়:

বিজ্ঞাপন

প্রবেশ - কপিরাইটঃ ২০০৭ থেকে ২০১৪ | কিশোরগঞ্জ ডট কম