যুবলীগকর্মী সবুজ হত্যাকাণ্ড:
দুই আসামির স্বীকারোক্তি দুটি অস্ত্র উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের সরারচর ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী মো. আলম সবুজ হত্যা মামলার রিমান্ডে আনা দুই আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার পুলিশ দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে। এর একটি পাকিস্তানি পিস্তল ও অন্যটি দেশি পাইপগান। এ সময় তিনটি গুলিও উদ্ধার করা হয়। এদিকে খুনিদের ফাঁসির দাবিতে সরারচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সোমবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করেছে। মিছিলে বিএনপির প্রবাসী এক নেতার নাম উল্লেখ করে স্লোগান দেওয়া হয়। রেলগেটে অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তারা সবুজের প্রকৃত খুনি ও গডফাদারদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং ফাঁসি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

পুলিশ জানায়, গত সোমবার কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পুলিশ সুপার মীর রেজাউল আলমের উপস্থিতিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সবুজ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামি আটিপাড়ার এনাম হোসেন খোকন ও জুমাপুরের মো. সাদেককে রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় বাজিতপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম ও গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকা এবং দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের কথা স্বীকার করে। আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুসারে গতকাল মঙ্গলবার ভোররাতে জুমাপুর গ্রামে সাদেকের বাড়ির পশ্চিমের খালের ভেতর থেকে প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো দুটি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। এর আগে গ্রেপ্তার উনা ডাকাতের জিম্মা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বড় ছোরা ও রামদা উদ্ধার করা হয়। আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে গতকালই আসামি খোকন, সাদেক ও সরিষাপুর গ্রামের সাইফুল আলম টিপুর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একটি মামলা করেছেন। উল্লেখ্য, টিপু ইতালি প্রবাসী বিএনপির নেতা বদরুল আলম শিপুর ভাই।

গতকাল সকালে পুলিশ আসামি এনাম হোসেন খোকনের স্ত্রী ডলি আক্তার ও অস্ত্র মামলার আসামি সাইফুল আলম টিপুর স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা রেখে গতকাল দুপুরেই তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

লিখেছেনঃ নাসরুল আনোয়ার

আপনাকে কমেন্টস করতে হলে অবশ্যই লগইন করতে হবে লগইন

বিষয় ভিত্তিক পোষ্টগুলো

কারিগরি সহায়তায়:

বিজ্ঞাপন

প্রবেশ - কপিরাইটঃ ২০০৭ থেকে ২০১৪ | কিশোরগঞ্জ ডট কম