দ্বিতীয় সেমিফাইনালে জার্মানিকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে উঠেছে স্পেন। খেলার ৭৩ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন কার্লোস পুয়েল।
https://i0.wp.com/soccernet-assets.espn.go.com/design05/images/2010/0707/carlespuyolheadergoal20100706_350x197.jpg?w=1080
জাভি আড়াআড়িভাবে বল ভাসিয়ে দেন জার্মানির গোল মুখে। লাফিয়ে উঠে মাথা দিয়ে পুয়েল বল জড়িয়ে দেন জার্মানির জালে। গোলরক্ষকের তাকিয়ে দেখা ছাড়া করার আর কিছুই ছিল না।
জোহানেসবার্গের সকার সিটি স্টেডিয়ামে রোববার ফাইনালে স্পেন লড়বে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে।
ডারবানের মোসেস ম্যাভিদা স্টেডিয়ামে খেলার ৬ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো স্পেন। পেদ্রো বল বাড়িয়ে দেন প্রতিযোগিতায় পাঁচ গোল করা ডেভিড ভিয়ার কাছে। শটও নেন তিনি। তবে তা আটকে দেন জার্মানির গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নিউয়ের।
জার্মানিও ৩২ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। ২৫ গজ দুর থেকে স্পেনের গোলে আচমকা শট নেন পিটর ট্রোকোবস্কি। কিন্তু তার বাঁ পায়ের শট বোকা বানাতে পারেনি গোলরক্ষক ইকের ক্যাসিয়াসকে।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে (৪৫+) আবারো সুযোগ পায় জার্মানি। কিন্তু মেসুত ওজিলের শট আটকে দেন সার্জিও রেমোস।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই জার্মানিকে চেপে ধরে স্পেন। তবে গোলের সুযোগ নষ্ট করে তারা বেশ কয়েকটি। ৫০ মিনিটে জাভি অ্যালানসোর গোলে এগিয়ে যেতে পারতো ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা। বক্সের বাইরে থেকে তার বাঁ পায়ের শট ঝাঁপিয়ে পড়ে আটকে দেন জার্মানির গোলরক্ষক।
স্পেন ৫৯ মিনিটে গোলের আরেকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করে। ২০ গজ দূর থেকে জার্মানির গোলপোস্টে শট নেন পেদ্রো। গোলরক্ষক নিউমার তা ঠেকালেও বল পেয়ে যান আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। তিনি বল ঠেলে দেন ডেভিড ভিয়ার দিকে। পা ছোঁয়াতে পারলেই গোল হতো। কিন্তু পারেননি তিনি বলে পা লাগাতে।
জার্মানি ৬৯ মিনিটে গোল করার একটি সুযোগ পেয়েছিল। লুকাস পোডলস্কি বল ঠেলে দেন টনি ক্রুজকে। তার তীব্র শট আটকে দেন স্পেনের গোলরক্ষক ইকের ক্যাসিয়াস।
তিনবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি এগারোবারের মতো খেলেছে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। গত আট বিশ্বকাপের ছয়বারই তারা উঠেছে শেষ চারে।
ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন এই প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে ওঠে ও খেলায় জিতে উঠে যায় ফাইনালে।
টমাস মুলারকে ছাড়াই খেলতে হয় জার্মানিকে। আগের দুই খেলায় দু’বার হলুদ কার্ড দেখায় মাঠের বাইরেই থাকতে হয় তাকে। এরই মধ্যে চার গোল করেছেন তিনি।
স্পেনের প্রথম একাদশে ছিলেন না ফার্নান্দো তোরেস। তার জায়গায় খেলেন পেদ্রো। পরে অবশ্য ডেভিড ভিয়ার বদলে তোরেসকে খেলানো হয়।
এর আগে জার্মানি ও স্পেন মুখোমুখি হয়েছে মোট ২০ বার। ৮বার জিতেছে জার্মানি। ৬বার স্পেন। ড্র হয়েছে ৬বার।