প্রস্তাবিত কৃষিনীতিতে হাওরের কৃষিব্যবস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে নাগরিক সংহতি। গতকাল শুক্রবার শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক মানববন্ধন ও নাগরিক সমাবেশে বক্তারা এ দাবি জানান। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাওরাঞ্চলের কৃষিব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ ও বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান জানান বক্তারা। নাগরিক সংহতির উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরিফ। বক্তব্য দেন খালিয়াজুরি উপজেলা চেয়ারম্যান কিবরিয়া জব্বার, কিশোরগঞ্জের সাবেক ব্যাংকার আবদুল মতিন, গবেষক ড. হালিম দাত খান, সাবেক ছাত্রনেতা সুব্রত দাস খোকন, হাওরবাসী আজিজুল হক, মো. ইব্রাহীম, আক্তার হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
প্রস্তাবিত কৃষিনীতিতে হাওরের কৃষিব্যবস্থা নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, ‘সরকার ১৯৯৯ সালের কৃষিনীতি সংস্কার করে নতুন একটি কৃষিনীতি প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। কৃষির সামগ্রিক বিকাশ, উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়া ও কৃষির সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ উৎসাহব্যঞ্জক।’ সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্যতম ভূমিকা রাখে হাওরাঞ্চলের কৃষি। মাত্র সাতটি জেলায় হাওরাঞ্চল হলেও বাংলাদেশে মোট উৎপাদিত ধানের এক-পঞ্চমাংশই আসে এখান থেকে। হাওরাঞ্চলের ৯০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল উল্লেখ করে এ অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থাপনাকে প্রস্তাবিত কৃষিনীতিতে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানান। এ অঞ্চলের দারিদ্র্য বিমোচনে কৃষির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রস্তাবিত কৃষিনীতিতে অন্তর্ভুক্তির বিকল্প নেই বলেও তাঁরা জানান।
-কালের কন্ঠ
